রাইপুরের মা মহামায়া – ইতিহাসের ধারাপথ বেয়ে আজও ঐতিহ্যময়।

- Advertisement -
- Advertisement -

বাঁকুড়াঃ রাজা দূর্জন সিং এর খড়্গ দিয়ে এখনো দেওয়া হয় বলি, মা মহামায়ার মন্দিরের তোপধ্বনির আওয়াজ শুনেই অষ্ঠমীর সন্ধিক্ষণের পূজো আরম্ভ হয় এলাকার পাশাপাশি দূর্গা পূজো অষ্ঠমীর সন্ধি পূজো। রাইপুরের মহামায়া মন্দিরে পূজোতে থাকেনা নজর কাড়া থিম, ভক্তি শ্রদ্ধাভরে নিয়ম নিষ্ঠা ভরে সেই রাজ আমল থেকে হয়ে আসছে পুজো। সারা বছর তো বটেই পূজোর দিন গুলি এখানে ভীড় থাকে চোখে পড়ার মতো। রাইপুরের রাজ পরিবারের সদস্যদের দাবী, রাইপুরের রাজা ধরম সিংহদেব এর পুত্র কৃষ্ণ সিংহদেব স্বপ্নাদেশ পান আনুমানিক ১৫৯৫ সালে, মা মহামায়া স্বপ্নে বলেন আমি চাঁদু ডাঙ্গায় ঝোপ জঙ্গলের মধ্যে রয়েছি, আমার মন্দির এবং পুরোহিতের ব্যবস্থা করেদে। রাজা কৃষ্ণ সিংহদেব ভোরে ঘুম থেকে উঠে সেখানে যান এবং ঝোপের মধ্য থেকে মা মহামায়া কে উদ্ধার করেন। তখন থেকেই পুজোর সূচনা হয়। তৈরী করা হয় মন্দির। বর্তমানে অবশ্য কমিটি গড়ে প্রায় কয়েক কোটি টাকা ব্যয়ে তৈরী করা হচ্ছে মন্দির। দূর্গা পূজোর ষষ্ঠী তিথিতে রাইপুর রাজ পরিবারের কুলদেবী মা রাজলক্ষী কে রাইপুরের হরিহর গঞ্জগড় রাজ বাড়ি থেকে শোভা যাত্রা সহকারে মহামায়ার মন্দিরে নিয়ে যাওয়া হয়। পূজোর দিন গুলিতে মা সেখানেও থাকেন, বিজয়ার দিন দেবী রাজলক্ষী শোভাযাত্রা সহকারে আবার হরিহর গঞ্জগড় রাজবাড়ীতে ফিরে আসেন।

রাইপুরের মহামায়া মন্দিরের অষ্ঠমীর সন্ধিপুজোর সময় তোপ দাগা রীতি সেই পূজোর সূচনার সময় থেকে আজো হয়ে আসছে। সেই তোপধ্বনির আওয়াজ শুনে রাইপুর সারেঙ্গা রানীবাঁধ ব্লকের বিভিন্ন পূজোর সন্ধি পূজো আরম্ভ হয়। লোকশ্রুতি, এবং রাজ পরিবারের সদস্যদের দাবী, রাজা দূর্জন সিংহদেবের আমলে এখানে পূজোর সময় নরবলি হতো। কিন্তু রাজা ফতে সিংহদেবের আমলে তিনি নরবলি বন্ধ করেদেন। তাঁর আমল থেকে শুরু হয় ছাগ বলি। রাজা দের সেই নরবলি দেওয়া খড়্গ দিয়েই এখনো মায়ের পূজোর ছাগ বলি দেওয়া হয়।

রাইপুরের রাজা ফতে সিংহ দেব সেই পূজোর সময় পূজোর বিভিন্ন সরঞ্জাম বিভিন্ন এলাকা থেকে নিতেন এবং তাঁর বিনিময়ে তিনি রাজ এলাকার বেশ কিছু জমি ওই এলাকার বাসিন্দাদের হাতে তুলে দেন। পূজো এখনো হয়, কিন্তু যাদের কে পূজোর বিভিন্ন উপকরণ দেওয়ার জন্য জমি যায়গা দেওয়া হয়ে তারা বর্তমানে অনেকেই আর সেগুলি দেননি বলে দাবী রাজ পরিবারের সদস্যদের।

- Advertisement -

Latest news

কৃষিজ বিপনন দপ্তরের উদ্যোগ 25 টাকা মূল্যে আলু দেওয়া হল বলাগড়ে।

বিশ্বজিৎ মন্ডল,হুগলিঃ কৃষিজ বিপনন দপ্তরের উদ্যোগ 25 টাকা মূল্যে আলু দেওয়া হল বলাগড়ে। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গার পাশাপাশি হুগলীর বলাগড় ব্লকের কৃষি দফতরের...
- Advertisement -

কেন্দ্রীয় সরকারের জনবিরোধী নীতির প্রতিবাদে চুঁচুড়া শহর তৃণমূল কংগ্রেসের সাইকেল মিছিল।

বিশ্বজিত মন্ডল, হুগলী:- হুগলী চুঁচুড়া শহর তৃণমূল যুব কংগ্রেসের উদ্যোগে বিজেপি বিভিন্ন অনৈতিক নীতির ও স্বৈরাচারী সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে...

হুগলির শ্রীরামপুর থেকে শুরু হল তৃণমূলের নতুন কর্মসূচী “চলুন মাস্টার মশাই, ঘুরি বাড়ি বাড়ি”।

বিশ্বজিত মন্ডল, হুগলী:- শুক্রবার তৃণমূল কংগ্রেসের নতুন কর্মসূচি চলুন মাস্টারমশাই ঘুড়ি বাড়ি বাড়ি শুরু হলো হুগলি জেলার শ্রীরামপুর থেকে। শুক্রবার শ্রীরামপুরে সাধারণ...

বহিষ্কৃত যুব তৃনমূলের বাঁকুড়া জেলা সাধারণ সম্পাদক বিদ্যুৎ দাস।

বাঁকুড়াঃ বহিষ্কার করা হল যুব তৃনমূলের বাঁকুড়া জেলা সাধারণ সম্পাদক বিদ্যুৎ দাসকে। দল বিরোধী কাজেত জন্য তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে জানাগেছে।...

Related news

কৃষিজ বিপনন দপ্তরের উদ্যোগ 25 টাকা মূল্যে আলু দেওয়া হল বলাগড়ে।

বিশ্বজিৎ মন্ডল,হুগলিঃ কৃষিজ বিপনন দপ্তরের উদ্যোগ 25 টাকা মূল্যে আলু দেওয়া হল বলাগড়ে। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গার পাশাপাশি হুগলীর বলাগড় ব্লকের কৃষি দফতরের...

কেন্দ্রীয় সরকারের জনবিরোধী নীতির প্রতিবাদে চুঁচুড়া শহর তৃণমূল কংগ্রেসের সাইকেল মিছিল।

বিশ্বজিত মন্ডল, হুগলী:- হুগলী চুঁচুড়া শহর তৃণমূল যুব কংগ্রেসের উদ্যোগে বিজেপি বিভিন্ন অনৈতিক নীতির ও স্বৈরাচারী সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে...

হুগলির শ্রীরামপুর থেকে শুরু হল তৃণমূলের নতুন কর্মসূচী “চলুন মাস্টার মশাই, ঘুরি বাড়ি বাড়ি”।

বিশ্বজিত মন্ডল, হুগলী:- শুক্রবার তৃণমূল কংগ্রেসের নতুন কর্মসূচি চলুন মাস্টারমশাই ঘুড়ি বাড়ি বাড়ি শুরু হলো হুগলি জেলার শ্রীরামপুর থেকে। শুক্রবার শ্রীরামপুরে সাধারণ...

বহিষ্কৃত যুব তৃনমূলের বাঁকুড়া জেলা সাধারণ সম্পাদক বিদ্যুৎ দাস।

বাঁকুড়াঃ বহিষ্কার করা হল যুব তৃনমূলের বাঁকুড়া জেলা সাধারণ সম্পাদক বিদ্যুৎ দাসকে। দল বিরোধী কাজেত জন্য তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে জানাগেছে।...
- Advertisement -

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here