যাদব সম্প্রদায়কে নিয়ে করা অনুব্রত মন্ডলের করা মন্তব্যের তীব্র বিরোধীতা করলেন অরুপ চক্রবর্তী।

- Advertisement -
- Advertisement -

বাঁকুড়াঃ যাদব সম্প্রদায়কে নিয়ে করা অনুব্রত মন্ডলের করা মন্তব্যের তীব্র বিরোধীতা করলেন বাঁকুড়া জেলা পরিষদের প্রাক্তন সভাধিপতি ও বর্তমান মেন্টর অরুপ চক্রবর্তী। তিনি স্পষ্ট জানান, তৃণমূল এই বক্তব্য সমর্থন করেনা। উল্লেখ্য, গত ১৫ ই ফেব্রুয়ারি নলহাটিতে একটি প্রকাশ্য জনসভায় তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল রাজ্যের ঘোষ (গোয়ালা) সম্প্রদায়কে কুরুচিকর মন্তব্য করে বলেছিলেন, “ঘোষ জাতিরা ৮০ বছর না হলে সাবালক হয়না!” এর প্রতিবাদে রাজ্যজুড়ে আন্দোলনের ডাক দেয় বঙ্গীয় যাদব মহাসভা। ওই সংগঠনের বাঁকুড়া জেলার পক্ষ থেকে আগামী ১ মার্চ জেলাজুড়ে ২ ঘন্টার রাস্তা অবরোধ, জেলাশাসক অফিস ঘেরাও, বাঁকুড়া শহরের মহামিছিল করে অনুব্রত মণ্ডলের কুশপুতুল দাহ’র সিদ্ধান্ত নেয়। তারই প্রস্তুতি সভা ডাকা হয়েছিল আজ বৃহস্পতিবার। বাঁকুড়া শহরের যাদব ভবনে সেই সভা হয়। সেখানে উপস্থিত হন বাঁকুড়া জেলা তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক তথা বর্তমান জেলা পরিষদের মেন্টর অরূপ চক্রবর্তী। তিনি যাদব সংগঠনের নেতাদের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে বলেন, অনুব্রত মণ্ডল ওই দিন যে ভাষায় ঘোষ সম্প্রদায়কে অপ্রাসঙ্গিক কথা বলে বিতর্কের সৃষ্টি করেছেন তার তীব্র বিরোধিতা করছি। এই অনভিপ্রেত কুরুচিকর মন্তব্য তৃণমূল কোনো ভাবেই সমর্থন করেনা। তিনি যা বলেছেন তা তার একান্ত ব্যক্তিগত মত। যাদব সংগঠনের বাঁকুড়া জেলা সভাপতি সব্যসাচী মন্ডল বলেন, ওইদিন অনুব্রত মণ্ডল, দিলীপ ঘোষকে গর্ধব বলে কটাক্ষ করে প্রকাশ্য জনসভায় দাঁড়িয়ে গোটা ঘোষ জাতিকে অপমান করেছেন। ওই মন্তব্যের জন্য নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানিয়েছি আমরা। তিনি দিলীপ ঘোষকে ব্যক্তিগত ভাবে যা খুশি বলুন আমাদের তাতে যায় আসে না। কিন্তু সমগ্র যাদব সম্প্রদায়কে অপমান করেছেন। তাই উনাকে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে। তা নাহলে আমরা আমাদের আন্দোলনের কর্মসূচি থেকে সরে আসবো না। এই কর্মসূচি বাঁকুড়া জেলার নয়, সারা রাজ্যের। সব্যসাচী মন্ডল বলেন, আমাদের রাজ্য সংগঠন অনুব্রত মণ্ডলের ওই বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সভাপতি সুব্রত বক্সীকে ১৭ ফেব্রুয়ারি চিঠি দেয়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেউ তার কপি দেওয়া হয়। ওই চিঠিতে দাবি করা হয় অনুব্রতকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে। এদিনের সভায় উপস্থিত ছিলেন বঙ্গীয় যাদব মহাসভার রাজ্য সহ-সভাপতি অনিরুদ্ধ রানা। তিনি বলেন, আজ ১০ দিন পরেও আমাদের চিঠির উত্তর না পেয়ে আমরা রাজ্যব্যাপী আন্দোলনের ডাক দিয়েছি। প্রয়োজনে যাদব সংগঠনের সর্বভারতীয় নেতৃত্বকে আমরা জানাতে বাধ্য হব। বিষয়টি নিয়ে সংসদেও তোলপাড় হবে। অনিরুদ্ধ রানা বলেন, আমাদের সম্প্রদায়ের মানুষ রাষ্ট্রপতি থেকে রাজ্যপাল এবং বিহার, উত্তর প্রদেশ শাসন করে দেখিয়ে দিয়েছে যাদবরা রাষ্ট্রপরিচালনায় কতটা দক্ষ। কিন্তু এ রাজ্যের শাসক বা বিরোধীরা ঘোষ সম্প্রদায়ের কোনো প্রতিনিধি রাখেনা বিধানসভা বা লোকসভায়। আমরা আর অপমান সহ্য করবো না। এরপর অরূপ চক্রবর্তী অনুব্রত মণ্ডল সম্পর্কে নানা বিশেষণ যুক্ত করে তার নিন্দা করেন। তিনি বলেন, গোয়ালারা যদি দিদির সঙ্গে না থাকতেন তাহলে বামফ্রন্টকে সরানো যেত না। আমি ব্যক্তিগত উদ্যোগ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে বিষয়টি বলবো এবং তাকে দিয়ে প্রকাশ্য জনসভায় বলানোর চেষ্টা করব। তিনি জানান, আপনারা রেজুলেশন নিন। আমি একজন প্রশাসনিক ব্যক্তি হিসেবে সেই রেজুলেশনে হিসেবে সেই রেজুলেশনে সই করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে পাঠাব। এরপর যাদব সংগঠনের নেতারা বাঁকুড়ায় কর্মসূচি স্থগিত রেখে অরূপ চক্রবর্তীকে ১২ দিন সময় দেন। এর মধ্যে কোনো সদর্থক ভূমিকা না দেখলে তারা তাদের আন্দোলন জারি রাখবেন বলে হুশিয়ারিও দিয়ে রাখেন।যাদব সম্প্রদায়কে নিয়ে করা অনুব্রত মন্ডলের করা মন্তব্যের তীব্র বিরোধীতা করলেন বাঁকুড়া জেলা পরিষদের প্রাক্তন সভাধিপতি ও বর্তমান মেন্টর অরুপ চক্রবর্তীবাঁকুড়াঃ যাদব সম্প্রদায়কে নিয়ে করা অনুব্রত মন্ডলের করা মন্তব্যের তীব্র বিরোধীতা করলেন বাঁকুড়া জেলা পরিষদের প্রাক্তন সভাধিপতি ও বর্তমান মেন্টর অরুপ চক্রবর্তী। তিনি স্পষ্ট জানান, তৃণমূল এই বক্তব্য সমর্থন করেনা। উল্লেখ্য, গত ১৫ ই ফেব্রুয়ারি নলহাটিতে একটি প্রকাশ্য জনসভায় তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল রাজ্যের ঘোষ (গোয়ালা) সম্প্রদায়কে কুরুচিকর মন্তব্য করে বলেছিলেন, “ঘোষ জাতিরা ৮০ বছর না হলে সাবালক হয়না!” এর প্রতিবাদে রাজ্যজুড়ে আন্দোলনের ডাক দেয় বঙ্গীয় যাদব মহাসভা। ওই সংগঠনের বাঁকুড়া জেলার পক্ষ থেকে আগামী ১ মার্চ জেলাজুড়ে ২ ঘন্টার রাস্তা অবরোধ, জেলাশাসক অফিস ঘেরাও, বাঁকুড়া শহরের মহামিছিল করে অনুব্রত মণ্ডলের কুশপুতুল দাহ’র সিদ্ধান্ত নেয়। তারই প্রস্তুতি সভা ডাকা হয়েছিল আজ বৃহস্পতিবার। বাঁকুড়া শহরের যাদব ভবনে সেই সভা হয়। সেখানে উপস্থিত হন বাঁকুড়া জেলা তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক তথা বর্তমান জেলা পরিষদের মেন্টর অরূপ চক্রবর্তী। তিনি যাদব সংগঠনের নেতাদের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে বলেন, অনুব্রত মণ্ডল ওই দিন যে ভাষায় ঘোষ সম্প্রদায়কে অপ্রাসঙ্গিক কথা বলে বিতর্কের সৃষ্টি করেছেন তার তীব্র বিরোধিতা করছি। এই অনভিপ্রেত কুরুচিকর মন্তব্য তৃণমূল কোনো ভাবেই সমর্থন করেনা। তিনি যা বলেছেন তা তার একান্ত ব্যক্তিগত মত। যাদব সংগঠনের বাঁকুড়া জেলা সভাপতি সব্যসাচী মন্ডল বলেন, ওইদিন অনুব্রত মণ্ডল, দিলীপ ঘোষকে গর্ধব বলে কটাক্ষ করে প্রকাশ্য জনসভায় দাঁড়িয়ে গোটা ঘোষ জাতিকে অপমান করেছেন। ওই মন্তব্যের জন্য নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানিয়েছি আমরা। তিনি দিলীপ ঘোষকে ব্যক্তিগত ভাবে যা খুশি বলুন আমাদের তাতে যায় আসে না। কিন্তু সমগ্র যাদব সম্প্রদায়কে অপমান করেছেন। তাই উনাকে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে। তা নাহলে আমরা আমাদের আন্দোলনের কর্মসূচি থেকে সরে আসবো না। এই কর্মসূচি বাঁকুড়া জেলার নয়, সারা রাজ্যের। সব্যসাচী মন্ডল বলেন, আমাদের রাজ্য সংগঠন অনুব্রত মণ্ডলের ওই বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সভাপতি সুব্রত বক্সীকে ১৭ ফেব্রুয়ারি চিঠি দেয়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেউ তার কপি দেওয়া হয়। ওই চিঠিতে দাবি করা হয় অনুব্রতকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে। এদিনের সভায় উপস্থিত ছিলেন বঙ্গীয় যাদব মহাসভার রাজ্য সহ-সভাপতি অনিরুদ্ধ রানা। তিনি বলেন, আজ ১০ দিন পরেও আমাদের চিঠির উত্তর না পেয়ে আমরা রাজ্যব্যাপী আন্দোলনের ডাক দিয়েছি। প্রয়োজনে যাদব সংগঠনের সর্বভারতীয় নেতৃত্বকে আমরা জানাতে বাধ্য হব। বিষয়টি নিয়ে সংসদেও তোলপাড় হবে। অনিরুদ্ধ রানা বলেন, আমাদের সম্প্রদায়ের মানুষ রাষ্ট্রপতি থেকে রাজ্যপাল এবং বিহার, উত্তর প্রদেশ শাসন করে দেখিয়ে দিয়েছে যাদবরা রাষ্ট্রপরিচালনায় কতটা দক্ষ। কিন্তু এ রাজ্যের শাসক বা বিরোধীরা ঘোষ সম্প্রদায়ের কোনো প্রতিনিধি রাখেনা বিধানসভা বা লোকসভায়। আমরা আর অপমান সহ্য করবো না। এরপর অরূপ চক্রবর্তী অনুব্রত মণ্ডল সম্পর্কে নানা বিশেষণ যুক্ত করে তার নিন্দা করেন। তিনি বলেন, গোয়ালারা যদি দিদির সঙ্গে না থাকতেন তাহলে বামফ্রন্টকে সরানো যেত না। আমি ব্যক্তিগত উদ্যোগ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে বিষয়টি বলবো এবং তাকে দিয়ে প্রকাশ্য জনসভায় বলানোর চেষ্টা করব। তিনি জানান, আপনারা রেজুলেশন নিন। আমি একজন প্রশাসনিক ব্যক্তি হিসেবে সেই রেজুলেশনে হিসেবে সেই রেজুলেশনে সই করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে পাঠাব। এরপর যাদব সংগঠনের নেতারা বাঁকুড়ায় কর্মসূচি স্থগিত রেখে অরূপ চক্রবর্তীকে ১২ দিন সময় দেন। এর মধ্যে কোনো সদর্থক ভূমিকা না দেখলে তারা তাদের আন্দোলন জারি রাখবেন বলে হুশিয়ারিও দিয়ে রাখেন।

- Advertisement -

Latest news

ঋক যোগ সমিতির উদ্যোগে রাইপুরে রক্তদান শিবির এবং করোনা প্রতিরোধে যোগ ব্যায়ামের গুরুত্ব বিষয়ে আলোচনা শিবির।

বাঁকুড়া:- বাঁকুড়া রাইপুরের শিক্ষক দম্পতি গৌতম বিশ্বাস ও শ্যামলী বিশ্বাস তাদের একমাত্র পুত্র সন্তানকে আজ থেকে 10 বছর আগে হারান।...
- Advertisement -

নদিয়ার মায়াপুর ইসকন মন্দিরে পুজো দিয়ে রোড শো অভিনেত্রী তথা সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়।

নিজস্ব সংবাদদাতা, নদীয়া:- প্রচারে গিয়ে চমক সবাই দিতে চান। সেই চমকেরই প্রধান লক্ষ্য হল মানুষের কাছে পৌঁছ যাওয়া। নিজেকে তাঁদের কাছের মানুষ...

নদীয়া জেলায় পৃথক দুটি জনসভা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

নদীয়া :-পঞ্চম দফা নির্বাচনে নদীয়ার আট কি বিধানসভা কেন্দ্রের ভোট পর্ব শেষ হয়েছে গতকাল। আগামী বাইশে এপ্রিল ফের নটি বিধানসভা কেন্দ্রের ভোট...

দ্রুত হারে হাওড়াতে বাড়ছে করোনা, বালিটিকুরি ইএসআই হাসপাতালে ১০০ শয্যার সেফ হোম।

নিজস্ব সংবাদদাতা, হাওড়া:- দ্রুত হারে হাওড়াতেও বেড়ে চলেছে করোনা। পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে বালিটিকুরির...

Related news

ঋক যোগ সমিতির উদ্যোগে রাইপুরে রক্তদান শিবির এবং করোনা প্রতিরোধে যোগ ব্যায়ামের গুরুত্ব বিষয়ে আলোচনা শিবির।

বাঁকুড়া:- বাঁকুড়া রাইপুরের শিক্ষক দম্পতি গৌতম বিশ্বাস ও শ্যামলী বিশ্বাস তাদের একমাত্র পুত্র সন্তানকে আজ থেকে 10 বছর আগে হারান।...

নদিয়ার মায়াপুর ইসকন মন্দিরে পুজো দিয়ে রোড শো অভিনেত্রী তথা সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়।

নিজস্ব সংবাদদাতা, নদীয়া:- প্রচারে গিয়ে চমক সবাই দিতে চান। সেই চমকেরই প্রধান লক্ষ্য হল মানুষের কাছে পৌঁছ যাওয়া। নিজেকে তাঁদের কাছের মানুষ...

নদীয়া জেলায় পৃথক দুটি জনসভা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

নদীয়া :-পঞ্চম দফা নির্বাচনে নদীয়ার আট কি বিধানসভা কেন্দ্রের ভোট পর্ব শেষ হয়েছে গতকাল। আগামী বাইশে এপ্রিল ফের নটি বিধানসভা কেন্দ্রের ভোট...

দ্রুত হারে হাওড়াতে বাড়ছে করোনা, বালিটিকুরি ইএসআই হাসপাতালে ১০০ শয্যার সেফ হোম।

নিজস্ব সংবাদদাতা, হাওড়া:- দ্রুত হারে হাওড়াতেও বেড়ে চলেছে করোনা। পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে বালিটিকুরির...
- Advertisement -

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here