দক্ষিণবঙ্গে হাড় কাঁপাবে শৈত্য প্রবাহ “পাহাড়ি”।

ডিজিট্যাল ডেস্কঃ- আগামী ৬ থেকে ১৫ই জানুয়ারী পর্যন্ত দক্ষিণ বঙ্গের জেলাগুলিতে বইবে তুমুল শৈত্য প্রবাহ। শৈত্য বলয়টিতে এমন কনকনে শীত ও হিমশীতল উত্তরে বাতাসের প্রবাহ দেখা যাবে যে পাহাড়ের মতো ভীষণ কনকনে শীত অনুভূত হবে।

যে সকল জেলা গুলিতে এই শৈত্য প্রবাহ সবচেয়ে বেশী অনুভুত হবে – সেগুলি হল : বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, নদীয়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগণা ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর, ও হাওড়া জেলা।

পশ্চিমবঙ্গ আবহাওয়া দপ্তর কর্তৃক এই মরশুমের সবচেয়ে শক্তিশালী এই শৈত্য বলয়ের নামকরন করা হয়েছে “পাহাড়ি”। শৈত্য বলয়টিতে এমন কনকনে শীত ও হিমশীতল উত্তরে বাতাসের প্রবাহ দেখা যাবে যে পাহাড়ের মতো ভীষণ কনকনে শীত অনুভূত হবে। শৈত্য বলয়ের শীতের তীব্রতা বোঝাতে উপমা প্রসঙ্গে শৈত্য বলয়টির নামকরণ করা হয়েছে পাহাড়ি অর্থাৎ পাহাড়িয়া শীত।

প্রভাবঃ- আভাহাওয়া দপ্তর সুত্রে জানা গেছে – বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, নদীয়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগণা ঝাড়গ্রাম ,পশ্চিম মেদিনীপুর, ও হাওড়া জেলা। এই জেলাগুলোতে বেশিরভাগ অঞ্চলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে যেতে পারে ৭-১১°সে এর আশেপাশে। স্থান বিশেষে কিছু কিছু অঞ্চলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে যেতে পারে আঞ্চলিক ভাবে ৫-৯°সে এর আশেপাশে। দু একটি অঞ্চলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে যেতে পারে ২-৬°সে এর আশেপাশে। দক্ষিণবঙ্গের বেশিরভাগ অঞ্চলে সকালের দিকে হিমশীতল উত্তরে বাতাসের দাপট দেখা যাবে।

বেশিরভাগ সময় শুষ্ক ও বৃষ্টিহীন কনকনে ঠাণ্ডা যুক্ত আবহাওয়া থাকবে। সূর্যাস্তের পর থেকে খুব কনকনে শীতের অনুভূতি দেখা যাবে। কিছু কিছু সময় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে। যেদিন কুয়াশা তৈরি হবে ঠাণ্ডা আরো কনকনে হয়ে উঠবে। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হাত পা ঠাণ্ডা করা ভীষণ কনকনে শীত অনুভূত হবে। কুয়াশা তৈরি হলে সকালের দিকেও ভীষণ কনকনে শীত অনুভূত হবে।

এই সময়কালে বয়স্ক ও শিশুদের প্রতি বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করতে অনুরোধ করা হচ্ছে। অবলা পশুপাখিদের প্রতি এই সময়ে বাড়তি যত্নশীল হতে অনুরোধ করা হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *